ব্রেকিং নিউজ :
বঙ্গবন্ধু বিপিএলের খেলা দেখলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী পুলিশের সেবা প্রার্থীরা যেন কোনমতেই হয়রানির শিকার না হয় : রাষ্ট্রপতি একনেকে ৪ হাজার ৬২১ কোটি টাকা ব্যয়ের দশ প্রকল্প অনুমোদন বিএনপি’র রাজনীতিতে এখন ঘোর দুর্দিন চলছে : ওবায়দুল কাদের বিএনপি নির্বাচন এলে ধর্ম ব্যবহার করে কিন্তু ধর্মের জন্য কাজ করে না : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এই মুহূর্তে ৮৫ ভাগ করোনা আক্রান্তই নন-ভ্যাক্সিনেটেড : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে ৯টি জেব্রার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি হবে : পরিবেশমন্ত্রী নগরীর প্রত্যেকটি খালই উদ্ধার করা হবে : ডিএনসিসি মেয়র সরকার ডিজিটাল সেবা ও ওয়ানস্টপ সার্ভিস প্রদানে উদ্যোগ নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী প্রবীণ ও কর্মাহত সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
  • আপডেট টাইম : 08/12/2021 06:11 PM
  • 56 বার পঠিত

আগামীকাল বেগম রোকেয়া দিবস। বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হবে।এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।
এছাড়া দিবসটি উদযাপনের লক্ষে দেশব্যাপী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।এ উপলক্ষে প্রকাশ করা হচ্ছে বিশেষ ক্রোড়পত্র, পোস্টার, বুকলেট ও স্যুভেনির।করোনা মহামারির এই সময়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। এবার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় দেশের পাঁচজন নারী পাচ্ছেন ‘রোকেয়া পদক’। আগামীকাল ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া পদক -২০২১ প্রাপ্তরা রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার নিকট থেকে সম্মাননা পদক গ্রহণ করবেন। মনোনীতরা হলেন, নারী শিক্ষায় অবদানের ক্ষেত্রে কুমিল্লা জেলার প্রফেসর হাসিনা জাকারিয়া বেলা। নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় যশোর জেলার অর্চনা বিশ্বাস, নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখায় কুমিল্লার শামসুন্নাহার রহমান পরাণ (মরোণোত্তর), পল্লী উন্নয়নে অবদান রাখায় মনোনীত হয়েছেন কুস্টিয়া জেলার গবেষক ড. সারিয়া সুলতানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও রোকেয়া হলের প্রভোস্ট ড. জিনাত হুদা সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণের ক্ষেত্রে অবদান রাখায় মনোনীত হয়েছেন। তার নিজ জেলা মুন্সিগঞ্জ। নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার কর্ম ও আদর্শকে সামনে রেখে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের অনন্য অর্জনের জন্য প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করা হয়।বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সে সময় মুসলিম সমাজে মেয়েদের লেখাপড়া শেখানোর কোন চল ছিল না। তাই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও পরিবারের সবার অগোচরে তার বড় ভাইয়ের কাছে উর্দূ, বাংলা, আরবী ও ফারসি পড়তে এবং লিখতে শেখেন। তার জীবনে শিক্ষালাভ ও মূল্যবোধ গঠনে তার ভাই ও বড় বোন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিলেন। পরবর্তীতে বিহারের ভাগলপুরে সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয়। স্বামীর উৎসাহে ও নিজের আগ্রহে তিনি লেখাপড়ার প্রসার ঘটান। বেগম রোকেয়া ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর মারা যান।
বেগম রোকেয়া ২০০৪ সালে বিবিসি বাংলার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি’ জরিপে ষষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে পরিচিত। তার উল্লেখযোগ্য রচনা হলো-মতিচূর, সুলতানার স্বপ্ন, পদ্মরাগ, অবরোধ-বাসিনী।এই দিবসটি সরকারিভাবে পালিত একটি জাতীয় দিবস।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...