ব্রেকিং নিউজ :
বঙ্গবন্ধু বিপিএলের খেলা দেখলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী পুলিশের সেবা প্রার্থীরা যেন কোনমতেই হয়রানির শিকার না হয় : রাষ্ট্রপতি একনেকে ৪ হাজার ৬২১ কোটি টাকা ব্যয়ের দশ প্রকল্প অনুমোদন বিএনপি’র রাজনীতিতে এখন ঘোর দুর্দিন চলছে : ওবায়দুল কাদের বিএনপি নির্বাচন এলে ধর্ম ব্যবহার করে কিন্তু ধর্মের জন্য কাজ করে না : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এই মুহূর্তে ৮৫ ভাগ করোনা আক্রান্তই নন-ভ্যাক্সিনেটেড : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে ৯টি জেব্রার মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি হবে : পরিবেশমন্ত্রী নগরীর প্রত্যেকটি খালই উদ্ধার করা হবে : ডিএনসিসি মেয়র সরকার ডিজিটাল সেবা ও ওয়ানস্টপ সার্ভিস প্রদানে উদ্যোগ নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী প্রবীণ ও কর্মাহত সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
  • আপডেট টাইম : 13/01/2022 11:24 PM
  • 26 বার পঠিত
ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের  বলেছেন, বিএনপি নেতারা বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক সমাবেশের নামে সন্ত্রাস ও সহিংসতার উস্কানি দিচ্ছেন। 
তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ আরেকটি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলছেন; ডাইরেক্ট একশনের হুমকি দিচ্ছেন। আসলে পায়ের নিচে মাটি নেই বলে এসব তাদের নিজেদের উপর ঝেঁকে বসা ভয় তাড়ানোর নির্জীব হুংকার। আত্মবিশ^াস হারানো এক ক্ষয়িষ্ণু রাজনৈতিক দলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়।’
ওবায়দুল কাদের বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে দেয়া এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, ‘আমরা জানতে চাই- কাদের নিয়ে তারা যুদ্ধ করবেন? কেন যুদ্ধ করবেন? তাদের যুদ্ধ কী লুটপাট, দুর্নীতি আর অরাজকতা সৃষ্টির জন্য? আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই- দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগও প্রস্তুত। যারা মানুষের মৌলিক অধিকার হরণকারী, দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিক পৃষ্ঠপোষক, উগ্র-সাম্প্রদায়িকতার ধারক ও বাহক হিসেবে পরিচিত এবং যারা স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতা ও স্বেচ্ছাচারিতামূলক অপরাজনীতির উত্তরাধিকার, তাদেরকে জনগণ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির যে কোন ধরনের আস্ফালনকে সর্বাত্মকভাবে প্রতিহত করা হবে। জনগণ আজ সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণকর রাষ্ট্র বিনির্মাণের চলমান সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ। বঙ্গবন্ধু-কন্যার নেতৃত্বে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ।
সারাদেশে অত্যন্ত আনন্দমুখর ও উৎসবমুখর পরিবেশে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা আশা করছি যে- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনসহ পরবর্তী নির্বাচনসমূহ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।’
ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং কমিশনের কাজে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করে না। ভোটারদের নিরাপত্তা বিধান ও নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় এবং আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগে সরকার সর্বদা কমিশনকে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করতে বদ্ধপরিকর। আশা করি, আগামীতে যে কোন ধরনের নির্বাচনী সহিংসতা এড়াতে কমিশন এবং আইন শৃঙ্খলাবাহিনী আরও তৎপর থাকবে।
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আওয়ামী লীগ আগামী ১৭ জানুয়ারি সংলাপে অংশ নিবে জানিয়ে তিনি বলেন, পরবর্তী নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষে, মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রাজনৈতিক দলসমূহের সংলাপ চলমান রয়েছে। স্টেকহোল্ডার হিসেবে একটি অর্থবহ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষে শক্তিশালী কমিশন গঠনে আওয়ামী লীগের মতামত ও প্রস্তাবনা সংলাপে উপস্থাপন করা হবে। আমরা মনে করি, পারস্পরিক আলোচনা যে কোনো জটিল সমস্যার সমাধানের সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে। 
ওবায়দুল কাদের বলেন, সংঘাত, সহিংসতা, জনমতবিরোধী তৎপরতা গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। অন্যদিকে আলাপ-আলোচনা, সংলাপ, পরমতসহিষ্ণুতা গণতন্ত্র বিকাশের পথকে কুসুমিত করে। যারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধারণ করে নাÑ তারা রাজনৈতিক সৌজন্যবোধ ও প্রচলিত গণতান্ত্রিক রীতি-নীতিতে শ্রদ্ধাশীল নয়- তারা সংলাপে আস্থা রাখে না। বরং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নস্যাৎ করতে চায়। 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...