ব্রেকিং নিউজ :
প্রধানমন্ত্রীর ১০টি বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে মেহেরপুরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা দুর্নীতির মামলায় বিএনপির সাবেক এমপি জ্যোতির ৭ বছর কারাদন্ড সঠিক তথ্য পেতে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন শৃংখলা বাহিনীর সাথে কাজ করবে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর দ্রব্যমূল্য নিয়ে ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে মন্ত্রিসভার নির্দেশ সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাবে : ওবায়দুল কাদের দেশের নিরাপত্তা যাতে বিঘ্ন করতে না পারে; সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী জনগণের আস্থা পূরণে বিএসটিআইকে আরো দক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান রাষ্ট্রপতির ওজন ও পরিমাপে ডিজিটাল রূপান্তর ভোক্তা সাধারণের জন্য সুফল বয়ে আনবে : প্রধানমন্ত্রী মানুষের আস্থা অর্জন করেছে ভূমি মন্ত্রণালয় : ভূমিমন্ত্রী একুশের গানের জন্য গাফফার চৌধুরী অমর হয়ে থাকবেন : অধ্যাপক আরেফিন
  • আপডেট টাইম : 11/05/2022 07:44 PM
  • 37 বার পঠিত

করোনার ভূয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজন নিজেদের নির্দোষ দাবী করে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেছেন।
বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করেন। এরপর আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিউপস্থাপনের জন্য ২৫ মে দিন ধার্য করেন। যুক্তিউপস্থাপন শেষে মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য হবে।
এরআগে বুধবার (২০ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে সাক্ষ্য দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শেদ আল মামুন ভুইয়া। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন। আদালত আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য এদিন ধার্য করেন। মামলাটিতে ৪০ জনের মধ্যে ২৬ জন বিভিন্ন সময় সাক্ষ্য দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি হেলথকেয়ার ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয়। এর বেশিরভাগই ভূয়া বলে ধরা পড়ে। এ অভিযোগে ২০২০ সালের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
২০২০ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সাবরিনা ও আরিফসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। চার্জশিটভূক্ত অন্য আসামিরা হলেন, আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা। চার্জশিটে সাবরিনা ও আরিফকে প্রতারণার মূলহোতা বলে উল্লেখ করা হয়। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছেন।
একই বছরের ২০ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...