ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মবার্ষীকি উৎযাপন নড়াইলের পাচগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ ভবন প্রতিষ্ঠার এক দশকেও নির্মিত হয়নি নড়াইলের পল্লীতে নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার বিশ্ব হার্ট দিবস কাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপিত ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের নির্দেশনা শেখ হাসিনার জন্মদিন, জাতির উৎসবের দিন : ডেপুটি স্পিকার অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের মেধা তালিকা প্রকাশ ২ অক্টোবর বিএনপি লাঠির সঙ্গে পতাকা বেধে রাস্তায় নামলে জবাব দেওয়া হবে : ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন সারথীর নাম শেখ হাসিনা : আলোচনা সভায় বক্তারা
  • আপডেট টাইম : 21/09/2022 08:29 PM
  • 28 বার পঠিত

রাজধানী ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৩টি ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৪টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুতে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। এসব এলাকার ১২ ভাগ বাসা-বাড়িতেই এডিস মশার বিস্তার সবচেয়ে বেশি।
আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতর ও দুই সিটি করপোরেশনের করা যৌথ বর্ষাকালীন জরিপের রিপোর্ট থেকে এ তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম এ সমীক্ষার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। অধিদপ্তরের সভাকক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৩টি ওয়ার্ড হলো- ১, ১১, ১৪, ১৬, ১৯, ২০, ২১, ২৪, ২৮, ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৩৯ এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৪টি ওয়ার্ড হলো- ৭, ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ২৪, ৩৪, ৩৮, ৩৯, ৪১, ৪২, ৪৮, ৫১।
অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম জানান, গত দুই বছরের তুলনায় এবছর দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ কিছুটা কম হলেও একেবারে কম নয়। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ড ডেঙ্গুর জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। এসব এলাকার ১২ ভাগ বাসা-বাড়িতেই এডিস মশার বিস্তার সবচেয়ে বেশি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক সমীক্ষা তুলে ধরে বলেন, সমীক্ষা চালানো বাসাগুলোর মধ্যে ২ হাজার ৭৫৮টিতে নেগেটিভ আসলেও ৩৯২টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। শতকরা হারে এটি ১২ দশমিক ৪৫ শতাংশ। মোট পজেটিভ আসা বাড়িগুলোর মধ্যে ৬৩টি ডিএনসিসির এবং ৯৬টি বাড়ি ডিএসসিসির।
তিনি জানান, ডিএনসিসির ৪০টি ওয়ার্ডের ৪৮টি এলাকা এবং ডিএসসিসির ৫৮টি ওয়ার্ডের ৬২টি এলাকাসহ মোট ১১০টি এলাকার ৩ হাজার ১৫০টি বাড়িতে ১১ থেকে ২৩ আগস্ট এ সমীক্ষা চালানো হয়।
জরিপে দেখা গেছে, দুই সিটিতে পড়ে থাকা বা ফেলে রাখা ভেজা পাত্রে সবচেয়ে বেশি ২১ দশমিক ৬১ শতাংশ মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। এছাড়াও ঘর বা ভবনের মেঝে প্লাস্টিকের ড্রাম বা প্লাস্টিকের নানা ধরনের পাত্রেও এই লার্ভা পাওয়া যায়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২৬ শতাংশ এ ধরনের পাত্রে ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২২ শতাংশ পাত্রে মশার এই লার্ভা পাওয়া গেছে।
গবেষণায় ১ হাজার ৩৩৭টি ভেজা পাত্র দেখেছিলেন জরিপকারীরা। যার প্রায় ২২ শতাংশে এডিসের লার্ভা মিলেছে। মশার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ৮ নম্বর ওয়ার্ড (কমলাপুর ও মতিঝিল), ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড (নবাবপুর ও বংশাল) এবং ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে (ওয়ারী ও নারিন্দা)।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, এখনো থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। নিয়মিত বৃষ্টি হলে পানি জমে থাকে, ফলে এডিস মশার জন্ম হয়। ঢাকায় প্রচুর মানুষ ডাব খেয়ে থাকে, এগুলো অনেক সময় পরিষ্কার করা হয় না। এতে এডিস মশার প্রকোপ বাড়ে।
তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ আমাদের কাজ না, আমরা সেবা দিয়ে থাকি। হয়তো সবসময় সবকিছু হয় না কিন্তু চেষ্টা করা হয়। তবে সবাইকে প্রতিরোধের কাজটা করতে হবে। এ জন্য আতঙ্কিত হওয়া যাবে না। প্রথম দিকে যদি চিহ্নিত করা যায়, তাহলে চিকিৎসা দেওয়া অনেক সহজ হয়।’
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, ‘কোনো মৃত্যুই আমাদের কাম্য নয়। অধিকাংশ রোগী ভর্তির প্রয়োজন না হলেও অনেকে হচ্ছেন। কিন্তু পুরো কাজের জন্য জনবল ও অর্থ লাগে। কোভিডকালীন যেসব রোগীকে আমরা সেবা দিতে পারিনি, তারা এখন বেশি আসছেন। ফলে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা দেওয়াটা অনেক চ্যালেঞ্জের।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...