ব্রেকিং নিউজ :
সোনা চোরাচালান মামলায় চীনা নাগরিকের ৭ বছরের কারাদন্ড খেরসন হোটেল হামলায় দুজন নিহত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে সরকারের কমিটি গঠন জীবনমান উন্নয়নে চা শ্রমিক পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় নির্বাচন ছাড়া সরকার পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই : ওবায়দুল কাদের পর্যটন এলাকায় অবকাঠামোসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার সুপারিশ পঞ্চগড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক চীন ও বাংলাদেশ অপরিহার্য কৌশলগত অংশীদার : রাষ্ট্রদূত পঞ্চগড়ের করোতোয়ায় নৌকাডুবিতে হতাহতের ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক দেশের উন্নয়নে কৃষকের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি : ডেপুটি স্পীকার
  • আপডেট টাইম : 01/01/1970 04:50 PM
  • 635 বার পঠিত

পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থেকে শেষ চারের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত করতে চেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু কাল দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ১০ রানের হারে আশা পূরণ হয়নি অ্যারন ফিঞ্চের দলের। টেবিলের দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিতে ওঠা অস্ট্রেলিয়ার সামনে এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ। ফাইনালে উঠতে হলে তাদের হারাতে হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডকে।

কাল গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে মাঠে নামার আগে টেবিলের শীর্ষেই ছিল অস্ট্রেলিয়া। তাদের সঙ্গে ১ পয়েন্ট ব্যবধানে পিছিয়ে দুইয়ে ছিল ভারত। দুই দলই চেয়েছিল টেবিলের চতুর্থ দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়া নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হতে। কারণ ইংল্যান্ডের চেয়ে আপাতত নিউজিল্যান্ডই সহজ প্রতিপক্ষ বলে মনে করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে টেবিলের শীর্ষস্থানীয় দল হওয়ায় নিউজিল্যান্ডকে পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়াই, শুধু কাল প্রোটিয়াদের হারাতে হতো। ফিঞ্চরা চ্যালেঞ্জটা জিততে ব্যর্থ হওয়ায় সুবিধা হয়ে যায় ভারতের। শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষ দল হিসেবে সেমিতে উঠেছে বিরাট কোহলির দল। এতে সেমির প্রতিপক্ষ হিসেবে তারা পেয়ে গেছে নিউজিল্যান্ডকে।

ম্যানচেস্টারে কাল প্রোটিয়াদের ৩২৫ রান তাড়া করার চ্যালেঞ্জ নিতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। ডেভিড ওয়ার্নার যতক্ষণ উইকেটে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার জয় অসম্ভব মনে হয়নি। ১১৭ বলে ১২২ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ৪০ম ওভারের প্রথম বলে ডোয়াইন প্রিটোয়ারিসের শিকার হন ওয়ার্নার। এ ওপেনার ফেরার পর অস্ট্রেলিয়ার জয়ের সম্ভাবনা ২২.৩৫ শতাংশ থেকে নেমে আসে ১০.৯৪ শতাংশে। তখন ৬৫ বলে ৯৯ রান দরকার ছিল দলটির। উইকেটরক্ষক অ্যালেক্স ক্যারি এখান থেকে আবারও জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছিলেন। ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ে লক্ষ্যটা নামিয়ে এনেছিলেন ৩০ বলে ৫২ রানের ব্যবধানে। পরের ওভারে ক্যারি (৬৯ বলে ৮৫) ফিরলে আবারও বিপদে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।

তিনে নামা উসমান খাজা চোট পেয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন। ক্যারি আউট হওয়ার পর আবারও মাঠে ফিরলেও অস্ট্রেলিয়াকে জেতাতে পারেননি খাজা। অস্ট্রেলিয়াও পারেন শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৮ রানের সমীকরণ মেলাতে। ১ বল হাতে রেখে শেষ পর্যন্ত ৩১৫ রানে অলআউট হয় ফিঞ্চের দল। বৃহস্পতিবার এজবাস্টনে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া। আর পরশু ম্যানচেস্টারে প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারত।

প্রোটিয়াদের হারাতে পারলেই নিজেদের সেমিফাইনাল ম্যাচটা ম্যানচেস্টারে খেলার সুযোগ পেত অস্ট্রেলিয়া। আর প্রতিপক্ষ হিসেবেও পেত তাসমান প্রতিবেশী কিউইদের। কিন্তু তা না হয়ে এজবাস্টনকে ভেন্যু হিসেবে পাওয়ায় কিছুটা দুশ্চিন্তা থেকেই যাচ্ছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। স্বাগতিক ইংল্যান্ড এমনিতেও কঠিন প্রতিপক্ষ আর তার সঙ্গে যোগ হচ্ছে এজবাস্টনে অস্ট্রেলিয়ার জয়খরা। এখানকার মাঠে সব সংস্করণ মিলিয়ে ২০০১ সাল থেকে জয়বঞ্চিত অস্ট্রেলিয়া। এজবাস্টনে অস্ট্রেলিয়ার সবশেষ জয় ২০০১ অ্যাশেজে। এরপর সব সংস্করণ মিলিয়ে ১৪ ম্যাচ খেলেও এজবাস্টনে জয়ের মুখ দেখেনি অস্ট্রেলিয়া।

তবে আরেকটি পরিসংখ্যানও আশা জোগাচ্ছে অস্ট্রেলিয়াকে। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে অস্ট্রেলিয়া কিন্তু কখনো হারেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...