ব্রেকিং নিউজ :
১৯৭০ সালে পাকিস্তানের পক্ষ নেয়া এমএনএ-এমপিএদের তালিকা করার বিধানের সুপারিশ মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে বিনিয়োগের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে যুবসমাজের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির দক্ষতা নির্ভর শিক্ষা এগিয়ে নিতে অত্যাধুনিক মোশন গ্রাফিক্স ল্যাব স্থাপন করা হবে : পলক বিএনপি’র নেতিবাচক রাজনীতি এখন পদ্মার অতল গর্ভে তলিয়ে গেছে : ওবায়দুল কাদের দেশের সকল দুর্যোগে সবার আগে আওয়ামী লীগকেই জনগণ কাছে পেয়েছে : হানিফ মানবিক রাষ্ট্র গড়তে এগিয়ে আসুন : সাংবাদিকদের প্রতি তথ্যমন্ত্রী শিশু অধিকার সুরক্ষায় গৃহীত কর্মসূচি বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী যুবসমাজকে লেখাপড়ার পাশাপাশি স্কাউটিংয়ে আরো বেশি সম্পৃক্ত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ২ জনের মৃত্যু যুক্তরাজ্যকে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে পুনর্বাসনের প্রস্তাব মোমেনের
  • আপডেট টাইম : 19/06/2022 07:23 PM
  • 20 বার পঠিত

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বিপন্ন প্রজাতির হাঙ্গর ও শাপলাপাতা মাছ বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে জাতীয় সংরক্ষণ কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা এবং নন ডেট্রিমেন্ট ফাইন্ডিংস তৈরি করা হয়েছে।
তিনি বলেন,  এ কর্মপরিকল্পনা হাঙ্গর ও শাপলাপাতা মাছের আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ, উপকূলীয় সম্প্রদায়কে টেকসই ও উৎপাদনশীল মৎস্য জীবিকা নিশ্চিতে এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের অর্থায়নে ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটির কারিগরী সহায়তায় প্রণীত এই কর্মপরিকল্পনা সরকারি সংস্থা, স্থানীয় সম্প্রদায়, এনজিও, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি উদ্যোগের জন্য নির্দেশিকা হিসাবে কাজ করবে।
শাহাব উদ্দিন আজ রাজধানীর একটি হোটেলে বন অধিদপ্তরের উদ্যোগে দেশের হাঙ্গর ও শাপলাপাতা মাছ সংরক্ষণে প্রণীত খসড়া জাতীয় কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা এবং নন ডেট্রিমেন্ট ফাইন্ডিংস চূড়ান্ত করতে  আয়োজিত এক জাতীয় পরামর্শক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
শাহাব উদ্দিন বলেন, দেশের সমুদ্রে বিদ্যমান ১শ’টিরও বেশী প্রজাতির হাঙ্গর ও শাপলাপাতা মাছ বিলুপ্ত হওয়ার হুমকির সম্মুখীন। আমাদের উপকূলীয় এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের সুস্থ পরিবেশ টিকিয়ে রাখতে এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 
তিনি বলেন, হাঙ্গর ও শাপলাপাতা মাছকে চিরতরে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে অতিরিক্ত পরিমাণে ধরা বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে। যাতে সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্র এবং জীববৈচিত্র্য আমাদের জীবন-জীবিকা ও জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
পরিবেশ সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরী, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মাহবুবুল হক এবং  সুফল প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায় প্রমুখ। 
ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন সোসাইটির সিনিয়র ম্যানেজার মেরিন এলিজাবেথ ফারনি মনসুর কীনোট পেপার উপস্থাপন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...