ব্রেকিং নিউজ :
উল্লাপাড়ায় নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মবার্ষীকি উৎযাপন নড়াইলের পাচগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ ভবন প্রতিষ্ঠার এক দশকেও নির্মিত হয়নি নড়াইলের পল্লীতে নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার বিশ্ব হার্ট দিবস কাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উদযাপিত ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের নির্দেশনা শেখ হাসিনার জন্মদিন, জাতির উৎসবের দিন : ডেপুটি স্পিকার অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের মেধা তালিকা প্রকাশ ২ অক্টোবর বিএনপি লাঠির সঙ্গে পতাকা বেধে রাস্তায় নামলে জবাব দেওয়া হবে : ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশের বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন সারথীর নাম শেখ হাসিনা : আলোচনা সভায় বক্তারা
  • আপডেট টাইম : 21/09/2022 08:24 PM
  • 26 বার পঠিত

রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোসি হত্যার দায়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির চার জঙ্গি সদস্যের মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রেখেছে হাইকোর্ট বিভাগ।
পাঁচ আসামির মধ্যে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত অপর এক আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে। বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলন সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জেএমবির পীরগাছার আঞ্চলিক কমান্ডার উপজেলার পশুয়া টাঙ্গাইলপাড়ার মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, বগুড়ার গাবতলী এলাকার লিটন মিয়া ওরফে রফিক, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কুড়িগ্রামের রাজারহাটের মকর রাজমাল্লী এলাকার আহসান উল্লাহ আনসারী ওরফে বিপ্লব ও গাইবান্ধার সাঘাটার হলদিয়ার চর এলাকার সাখাওয়াত হোসেন।
মামলায় পীরগাছা উপজেলার পশুয়া টাঙ্গাইলপাড়ার ইছাহাক আলীকে খালাস দেয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১৯ সেপ্টেম্বর পাঁচ জঙ্গির ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজ বুধবার দিন ধার্য ছিল।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ, সহকারী এটর্নি জেনারেল নির্মল কুমার দাস, এ মান্নান ও জাকির হোসেন মাসুদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসান উল্লাহ। এরআগে গত ৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়।
২০১৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকার জাপানি নাগরিক কুনিও হোসি হত্যার দায়ে জেএমবির পাঁচ জঙ্গিকে মৃত্যুদন্ড দেন। পরে ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যু দন্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য নথি) হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিরা আপিল ও জেল আপিল করে।
বিচারিক আদালতে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মাসুদ রানা ওরফে মামুন ওরফে মন্ত্রী, ইছাহাক আলী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক, আহসান উল্লাহ আনসারী ওরফে বিপ্লব ও সাখাওয়াত হোসেন। দন্ডপ্রাপ্ত বিপ্লব পলাতক। হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারিক আদালতে খালাস পান পীরগাছার কালীগঞ্জ বাজারের আবু সাঈদ।
চার্জশিটভুক্ত আট আসামির মধ্যে অন্য দু’জন বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাদের মামলার অভিযোগ থেকে বাদ দিয়ে রায় ঘোষণা করা হয়। তারা হলেন- পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের গজপুরি এলাকার নজরুল ইসলাম ওরফে হাসান ওরফে বাইক হাসান।
২০১৬ সালে অভিযোগ গঠনের আগে ১ আগস্ট রাজশাহীতে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন তিনি। অভিযোগ গঠনের পরে ঢাকার মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন কুড়িগ্রামের রাজারহাটের চর বিদ্যানন্দ এলাকার সাদ্দাম হোসেন ওরফে রাহুল ওরফে চঞ্চল ওরফে সবুজ ওরফে রবি।
জেএমবির ওই আট জঙ্গির বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৭ আগস্ট রংপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী। পরে মামলাটি রংপুরের বিশেষ জজ নরেশ চন্দ্র সরকারের আদালতে স্থানান্তরিত হলে ২০১৬ সালের ১৫ নভেম্বর সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্যদিয়ে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।
মামলায় বাদীপক্ষের ৫৫ জন সাক্ষী ও আসামিপক্ষের একজন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছে আদালত।
২০১৫ সালের ৩ অক্টোবর জাপানি নাগরিক কুনিও হোসিকে কাউনিয়া উপজেলার আলুটারি এলাকায় গুলি করে হত্যা করে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির জঙ্গিরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...